বাংলা নববর্ষ | পহেলা বৈশাখ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bengali New Year | Bengali Paragraph Writing for Class III - VI বাংলা নববর্ষ বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। পহেলা বৈশাখ এ উৎসবটি পালিত হয়। পৃথিবীর যেখানে যত বাঙালি আছে, তারা সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ পালন করে। বাংলাদেশে এক সময় এই দিনে পূন্যহ অনুষ্ঠান হতো জাঁকজমকভাবে। এখন হালখাতা, মঙ্গল শোভাযাত্রা, কবিগান, যাত্রা, বৈশাখী মেলা, আবৃতি-নাচ গানে মুখরিত থাকে সারাদেশ। এদিনে আমরা একে অন্যকে বলি শুভ নববর্ষ। এদিনে শহর অঞ্চলেও পান্তা ইলিশ খাওয়ার চল হয়েছে ইদানিং। নববর্ষের দিনে ছেলেরা পাজামা-পাঞ্জাবি এবং মেয়েরা নানা রঙের শাড়ী পড়ে নববর্ষের আনন্দে মেতে ওঠে। চারদিকে তৈরি হয় এক বর্ণিল পরিবেশ। বাংলা নববর্ষ এখন আমাদের প্রধান জাতীয় উৎসব। বাংলা নববর্ষ | পহেলা বৈশাখ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bengali New Year | Bengali Paragraph Writing for Class III - VI বাংলা নববর্ষ | পহেলা বৈশাখ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bengali New Year | Bengali Paragraph Writing for Class III - VI
ক্রনিক ব্যথা না সারলেও তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় | Even If The Chronic Pain Does Not Go Away, It Can Be Controlled
ক্রনিক ব্যথা না সারলেও তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় | Even If The Chronic Pain Does Not Go Away, It Can Be Controlled অনেকেই জীবনের নানা সময়ে বিভিন্ন ব্যথা-বেদনা, হ্যাঁচকাব্যথা অনুভব করেন। এমনকী আচমকা ব্যথা শুরু হলে আমাদের স্নায়ুতন্ত্রও উজ্জীবিত হয়ে যায়। যখন মানবশরীরে কোনও আঘাত লাগে তখন ব্যথার সংকেত সেই আঘাতপ্রাপ্ত স্থান থেকে মেরুদণ্ড হয়ে মস্তিষ্কে গিয়ে পৌঁছয়। তারপরে আঘাত যত সারতে থাকে ব্যথার প্রাবল্য তত কমতে থাকে। তবে ক্রনিক পেইন বা ক্রনিক ব্যথা টিপিক্যাল পেইনের থেকে ভিন্ন। ক্রনিক ব্যথার ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে সবসময়ে ব্যথা থাকার একটা অনুভূতি যায়, যদিও আঘাত সেরে যায়, তবুও ব্যথা থাকে। এটা কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ক্রনিক ব্যথার জন্য স্বচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করা, শরীরের ঠিকমতো মুভমেন্ট করা, শারীরিক শক্তি সবই কমে যায়। যার ফলে প্রত্যহ সমস্ত কাজকর্ম এমনকী নিজের দৈনন্দিন কাজ করাটাও রীতিমতাে চ্যালেঞ্জের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মানবশরীরে কোন ব্যথা যদি একটানা ১২ সপ্তাহ বা তার বেশি চলে তাহলে তাকে বলা হয় ক্রনিক ব্যথা। কখনও মনেহয় ব্যথাটি তীক্ষ্ণভাবে হাড়ে বিঁধছে, আবার...