সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI


বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম


বর্ধমান জেলার আসানসােলের নিকট চুরুলিয়া গ্রামে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে কাজী নজরুল ইসলামের জন্যহয়। তাঁর বাবা ছিলেন অত্যন্ত গরিব। ছােটোবেলায় তাঁকে সকলে ‘দুখু মিঞা' বলে ডাকত। বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁকে এলােমেলােভাবে কঠোর দারিদ্র্যের মধ্যে জীবন কাটাতে হয়েছে। কখনও ‘লেটো' গানের দলে, কখনও মাংসের দোকানে তাঁকে চাকরি করতে হয়েছে। এরই মধ্যে কিছুদিন সিয়ারসােল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ। সতেরাে বছর বয়সে নজরুল সেনাবাহিনীতে যােগ দেন। তখন থেকেই তাঁর কবিতা লেখা শুরু। সেনাবাহিনী থেকে ফিরে এসে কাব্যচর্চায় পুরােপুরি মন দেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন সুন্দরের পূজারি, আবার বিদ্রোহী কবি। তাঁর রচিত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যে স্থান করে নেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা। অসহায়, বঞ্চিত, সর্বহারা মানুষেরা তাঁর কবিতায় স্থান পেয়েছে। সমাজের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ প্রকাশ পেল অগ্নিবীণা, সর্বহারা, বিষের বাঁশী, ফণিমনসা প্রভৃতি কাব্যে। এই বিদ্রোহী কবির শেষ জীবনটি ছিল অভিশপ্ত। তিনি স্মৃতিশক্তি ও বাকশক্তি সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশের ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।


বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kazi Nazrul Islam | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rabindra Nath Tagore | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rabindra Nath Tagore | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভূমিকা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে বলা হয় বিশ্বকবি। তাঁর রচিত সাহিত্য সমগ্র বিশ্বের এক অমূল্য সম্পদ। বিশ্বকবি ছিলেন সর্বব্যাপী প্রতিভার অধিকারী। জন্ম ও বংশ পরিচয় : কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে রবীন্দ্রনাথের জন্মহয় ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে। তার বাবার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মায়ের নাম সারদা দেবী। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ সুলেখক ছিলেন। দাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথের কাছে শৈশবে রবীন্দ্রনাথ কবিতা রচনায় উৎসাহ পেয়েছিলেন। ছাত্রজীবন : বাল্যকালে রবীন্দ্রনাথ ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ওনর্মাল স্কুলে কিছুদিন লেখাপড়া করেছিলেন। স্কুলের পরিবেশ তার ভালাে না লাগায় স্কুল ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে মন দিয়ে লেখাপড়া করতে থাকেন। উচ্চশিক্ষার জন্যে তাঁকে বিলেতেও পাঠানাে হয়েছিল, কিন্তু সেখানেও তাঁর মন টেকেনি। তিনি দেশে ফিরে এসে কবিতা, গল্প, গান, নাটক লেখা শ...

দুর্গাপূজা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Durga Puja | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

দুর্গাপূজা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Durga Puja | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI দুর্গাপূজা ভুমিকা: দুর্গাপূজা হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ উৎসব I এ উৎসবে সকলেই আনন্দে যেতে ওঠে। বাঙালির ঘরে ঘরে আনন্দের স্রোত বইতে থাকে ৷ প্রস্তুতি: এ সময় প্রত্যেক বাঙালি হিন্দুই সাধ্যমতো নতুন নতুন জামাকাপড় কিনে থাকে ৷ এজন্যে পূজার প্রায় একমাস আগে থেকেই জামাকাপড়ের দোকানে  ভিড় পড়ে যায়৷ পূজা উপলক্ষ্যে প্রায় একমাস স্কুল কলেজ বন্ধ থাকে I  অফিস আদালতও এসময় কয়েকদিন ছুটি থাকে ৷ যাঁরা দূরে বা বিদেশে থেকে চাকরি বা লেখাপড়া করেন, তাঁরা এ সময়ে বাড়ি ফিরে আসেন। সময়:   আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গে শরৎকালে  ও বসন্তকালে বছরে মোট দু বার দুর্গাপূজা হয় ৷ শরৎকালের পূজাকে ‘শারদীয়া পূজা’ আর বসন্তকালের পূজাকে ‘বাসন্তী পূজা’ বলা হয় । আমাদের দেশে শারদীয়া পূজারই প্রচলন বেশি । বর্ণনা: দুর্গা তাঁর বাহন সিংহের ওপর দাঁড়িয়ে থাকেন, তাঁর বাঁদিকে বীণা হাতে তাঁর এক কন্যা সরস্বতী, ডাইনে অন্য কন্যা লক্ষ্মী ৷ সরস্বতীর বাঁদিকে ...

বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল আষাঢ় ও শ্রাবণ এই দু-মাস বর্ষাকাল ৷ তবে আমাদের রাজ্যে জৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি থেকেই বর্ষা শুরু হয় এবং আশ্বিন মাস পর্যন্তই কমবেশি বৃষ্টি হয় ৷ তবে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে প্রায় রোজই বৃষ্টি হয় I নদীনালা, পুকুর, খাল জলে ভরে যায় ৷ গাছপালা সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে I  বর্ষাকালে কদম, কেতকী, জুঁই প্রভৃতি ফুল ফোটে I এই  সময় কলেরা, আমাশা টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি নানা রোগের প্ৰকােপ দেখা দেয় I বন্যাও হয় I এতে মানুষের খুব অসুবিধা হলেও মানুষ বর্ষা র জন্য অপেক্ষা করে I বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class...

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Netaji Subhas Chandra Bose | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Netaji Subhas Chandra Bose | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ভূমিকা : ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজি সুভাষচন্দ্রের অবদান অপরিসীম।এদেশের মানুষ তাঁকে আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। জন্ম ও বংশ পরিচয় : সুভাষচন্দ্র বসু ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জানুয়ারি ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জানকীনাথ বসু ও মাতার নাম প্রভাবতী দেবী। সুভাষচন্দ্রের পিতা কটক শহরে ওকালতি করতেন। তাদের আদি বাড়ি ছিল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কোদালিয়া গ্রামে। ছাত্রজীবন : মেধাবী ছাত্র কটকের 'রাভেনশ'  কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। এই পরীক্ষায় তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বিএ পাশ করার পর বিলেতে গিয়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। কর্মজীবন : সুভাষচন্দ্র সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় পাশ করে দেশে ফিরে আসেন, কিন্তু ইংরেজ সরকারের অধীনে চাকরি গ্রহণ করলেন না। বরং ইংরেজদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করবার জন্যে স্বাধীনতা আন্দোলনে যাে...

পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Pandit Iswar Chandra Vidyasagar | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Pandit Iswar Chandra Vidyasagar | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ভূমিকা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আসল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি শুধু বিদ্যারই সাগর ছিলেন না, ছিলেন - করুণাসাগর, দয়ার সাগর । জন্ম ও বংশ পরিচয়: মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্রের জন্ম হয়। তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। মাতার নাম ভগবতী দেবী। শিক্ষা: পাঁচ বছর বয়সে গ্রামের পাঠশালায় ভরতি হন। সেখানে পড়াশােনা শেষ করে সাড়ে আট বৎসর বয়সে বাবার  সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন এবং কলকাতার সংস্কৃত কলেজে  ভরতি হন। ছােটোবেলা থেকেই তিনি খুব মেধাবী ছিলেন। পিতার আর্থিক অবস্থা ভালাে না থাকার দরুন তাঁকে ছােটোবেলায় খুব কষ্ট করে লেখাপড়া শিখতে হয়েছিল। তাঁকে রান্না করে খেতে হত এবং রাস্তার আলােতেই পড়তে হত। এভাবে কষ্ট করে তিনি বিদ্যালাভ করেন। সংস্কৃত কলেজ থেকেই তিনি ' বিদ্যাসাগর ’ উপাধি লাভ করেন। কর্মজীবন: লেখাপড়...

গোরু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Cow | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গোরু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Cow | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI   গোরু গোরু গৃহপালিত প্রাণী I গোরুর চারটি পা, দুটি কান, দুটি চোখ ও একটি ল্যাজ আছে I মাথার ওপরে দুটি শিং আছে I গোবুর নীচের পাটিতে দাঁত আছে, ওপরের পাটিতে নেই । সাদা, কালো, লালচে, বাদামি ইত্যাদি নানা রং-এর গোরু দেখতে পাওয়া যায় ৷ গোরুর সারা শরীর লোম দিয়ে ঢাকা । গোবুর বাচ্চাকে বলে বাছুর I পুরুষ গোরুকে বলদ বা ষাঁড়ড বলে I আর স্ত্রী গোরুকে বলে গাভি I গোরু ঘাস,পাতা, খোল, ভূষি, ভাতের ফ্যান, তরকারির খােসা ইত্যাদি খায় I গোরু প্রায় ২০ | ২৫  বছর বাঁচে I গোরু অত্যন্ত উপকারী জীব I গোরুর দুধ থেকে দই, ছানা, মিষ্টি, মাখন, ঘি ইত্যাদি তৈরি হয় ৷ গোরুর মলকে গোবর বলে I গোবর থেকে ঘুঁটে, সার ইত্যাদি তৈরি হয় I গোরু এত উপকারী বলে হিন্দুরা একে দেবতাজ্ঞানে পূজাে করে ৷ গোরু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Cow | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গোরু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Cow | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গোরু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Cow | Ba...

বাংলার গ্রামের হাট - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Market of Bengal Village | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বাংলার গ্রামের হাট - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Market of Bengal Village | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বাংলার গ্রামের হাট গ্রামের পর গ্রাম ছড়িয়ে আছে দূরে দূরে I তার মাঝে হাট I এই হাটে চলে ‘ ‘নিত্য নাটের খেলা I” সপ্তাহে একদিন কি দু-দিন হাট বসে I হাটে গ্রামের মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয় করে I গ্রামের মানুষের মিলনস্থল ও এই হাট। সপ্তাহের বিশেষ বিশেষ দিনে দূর- দুরান্তের মানুষের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ হয় ; সুখ- দুঃখের কত ভাব-বিনিময় চলে এবং কতখবরাখবর লেনদেন হয় এর - ওরমাধ্যমে। খােলা জায়গায়,নদী বা রাস্তার ধারে এই হাটবসে। কিছু গাছগাছড়া এখানেসেখানে ছায়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। মাঝে ছড়িয়েথাকে অনেক দোচালা ঘর।ভোরের আলাে ফুটতে না ফুটতেইদোকানিরা আসে;আসে কত গ্রামের মানুষ—কেউ শাকসবজি, আনাজ-তরকারি, কেউ নিত্য প্রয়ােজনীয় জিনিস কিনতে।আর আসে পাইকাররা গ্রামের হাট থেকে নিত্য প্রয়ােজনীয় জিনিসপত্র সস্তায় কিনে শহরের বাজারে চালান করতে।হাটে-আনা শাকসবজি দেখে সন্তানহারা মাঠগুলাের কথাই মনে পড়ে। মনে হয়, মাঠগুলো যেন কাঁদছে ; ফসলগুলােও মা-হারা হয়ে কঁদছে। চালহাটায় ধা...

পরিবেশদূষণ ও প্রতিকার - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Environmental Pollution and Remedies | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

পরিবেশদূষণ ও প্রতিকার  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Environmental Pollution and Remedies | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI পরিবেশদূষণ ও প্রতিকার ভূমিকা : আমাদের চারপাশের গাছপালা, মাটি-জল, মানুষজন, পশুপাখি সবকিছুর সম্মিলিত সহাবস্থানই হল পরিবেশ। জীবের সঙ্গে পরিবেশের সম্পর্ক যে রয়েছে তাকে অস্বীকার করা যায় না। পরিবেশদূষণ : সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে মানুষ ঘরবাড়ি, কলকারখানা, রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে গিয়ে নির্বিচারে গাছপালা কেটে চলেছে। অপরদিকে যানবাহন, কলকারখানার নিঃসৃত ধোঁয়া তথা কার্বন ডাইঅক্সাইড জীবনদায়ী অক্সিজেনের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। উদ্ভিদজগত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করার ফলে যে সমতা বজায় থাকত তা আজ আর নেই। জলও আজ দূষিত হয়ে পড়েছে। নানা বর্জ্য পদার্থ জলাশয়ের জলে মিশছে। আমাদের চেতনা ও শিক্ষার অভাবে প্রতিদিনই মানুষ জলের অপব্যবহার করছে। রাসায়নিক সার, কীটনাশক বিষ ব্যবহার করার ফলে জলাশয়ের জল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে চারদিকে শুধু হইচই চ্যাঁচামেচি প্রতিনিয়ত চলছে তাে চলছেই। বাদ্যযন্ত্রের শব্দ, কলকারখানার শব্দ, যানবাহনের শব্দ, এমনকি মাইক, ...

আমাদের গ্রাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Our Village | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

আমাদের গ্রাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Our Village | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI আমাদের গ্রাম আমাদের গ্রামের নাম চাতরা। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটি। গ্রামটি অপরূপ সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ। চারিদিকে ভরে আছে বড়াে বড়াে গাছ। যা সমগ্র গ্রামটিকে ছায়া প্রদান করে। গ্রামের সামনে দিয়ে চলে গেছে বড়াে পাকা সড়ক। এই সড়ক দিয়ে অন্যান্য জায়গার সঙ্গে যােগাযােগ স্থাপন করা যায়। যােগাযােগের ব্যবস্থা ভালাে থাকায় আমাদের গ্রামটি সবসময় থাকে কর্মমুখর। আমাদের গ্রামে কিছু পুরােনাে বাড়ি আছে যা পুরােনাে দিনের স্মৃতিকে এখনও বহন করে চলেছে। এছাড়াও রয়েছে কিছু কাঁচা বাড়ি। তবে বেশির ভাগ বাড়িই এখন পাকা হয়ে গেছে। গ্রামের রাস্তাঘাট বেশির ভাগই পাকা। এই গ্রামে অধিকাংশ মানুষ বর্তমানে চাকুরিজীবী। তবে কৃষিজীবী মানুষ যেমন আছে তেমনি আছে ব্যবসায়ী মানুষও। সকলের মধ্যেই আছে সখ্যতা। সবাই সবার সুখ-দুঃখের সাথী। এই গ্রামের লােকসংখ্যা ক্রমে বেড়ে চলেছে। গ্রামের পুকুরটিতে প্রতিদিন গ্রামের মানুষ স্নান করতে আসে এবং পরস্পরের মধ্যে ভাবের আদানপ্রদান ঘটে। যখন মাঠে ধানচাষ হয় তখন সােনালি ধানে...

রথের মেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Chariot Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

রথের মেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Chariot Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI রথের মেলা ‘মেলা’ শব্দটির সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। কোনাে উৎসব অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের মিলনক্ষেত্র হল মেলা। আমাদের দেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের মেলা বসে। যেমন- রথের মেলা, চড়কের মেলা, গাজনের মেলা ইত্যাদি। এইসব মেলার মধ্যে রথের মেলা সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য। সাধারণত বর্ষাকালে অর্থাৎ আষাঢ় মাসে রথের মেলা বসে। এই উৎসব প্রধানত জগন্নাথদেবকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলা চলে সাতদিন। গ্রামের বড়াে মাঠের মধ্যে রথের মেলা বসে। দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা বিক্রি হয়। এছাড়া সংসারের নানা ধরনের জিনিস, ছােটোদের খেলনা, বাঁশের বাঁশি, পুতুল, মেয়েদের সাজার জিনিস, রং-বেরং এর চুড়ি ইত্যাদি জিনিসও বিক্রি হয়। আর বসে নানারকমের খাবারের দোকান। এর মধ্যে সবথেকে বেশি যে খাবারটি মানুষকে আকর্ষণ করে তা হল পাঁপড় ভাজা ও জিলিপি। মেলার নাগরদোলা, সার্কাস, ম্যাজিক, ইলেকট্রিকের বিভিন্ন দ্রব্য অন্যতম আকর্ষণের দ্রব্য। এই সব মিলিয়ে মেলার সাতদিন বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে পূর্ণ থাকে। ধনী-দরিদ্র, জাত...